• Thu. Jan 21st, 2021

Cox’s Bazar Chattogram

  • Home
  • Cox’s Bazar Chattogram
Cox's Bazar Pourashava - Photos | Facebook
Reopening plan raises hope for Cox's Bazar tourism
This image has an empty alt attribute; its file name is Addvertise-CCGC.jpg

বাংলাদেশের পৌরসভা ও গ্রাম গুলিকে টেকসই কর্মময় এবং স্থানীয় ভাবে সক্ষম হিসেবে গড়ে তুলার জন্যে, এই দেশের বিপুল দক্ষ হিউম্যান রিসোর্সকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে সচ্ছল হবার লক্ষ্যে, বাংলাদেশ করোনা মহামারির প্রভাব কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে। এ সময়, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এবংএর সাথে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বাংলাদেশকে অন্যতম একটি জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীল গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড উন্নতদেশ সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলার জন্যে আর্কিটেকচাররিসার্চএন্ডডেভোল্যাপম্যান্টলিঃ (ARDL)এসো” নামক একটি SDG2030 Mega প্রকল্প ডিজাইন করেছে । যা “এসো-আরডিএল”/ESHOARDL নামে অবহিত হয়েছে । যা বেসরকারী ভাবে সরকারের পাশাপাশি কাজ করার একটি ইনোভেটিভ মডেল । যা পরবর্তীতে পৃথিবীর সল্প উন্নয়নশীলদেশের জন্যে মডেল হতে পারে ।

কক্সবাজার পৌরসভা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক তথ্য

আলোকিত কক্সবাজার -
কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসছে শত শত টন প্লাস্টিক বর্জ্য | UkhiyaNEWS.ComUkhiyaNEWS.Com
কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসছে বিপুল বর্জ্য, মারা পড়ছে কচ্ছপ
This image has an empty alt attribute; its file name is visiting-card-2019-1024x554.jpg

সৈকতের মাত্র ১০ কিলোমিটারের মধ্যেই ৫০ টনের ওপর বর্জ্য

বাংলাদেশ একই সাথে উন্নয়নশীল ও জনবহুল দেশ। পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রেখে টেকসই উন্নয়ন দেশের প্রধান লক্ষ্য। টেকসই উন্নয়নে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা প্রতিনিয়ত বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, যার মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উল্লেখযোগ্য। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মধ্যে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ প্লাস্টিক অপচনশীল অবস্থায় দীর্ঘদিন পরিবেশে থেকে যায়। বাংলাদেশে প্লাস্টিকের মাথাপিছু ব্যবহার মাত্র পাঁচ কেজি যেখানে বিশ্বে গড় প্লাস্টিকের ব্যবহার প্রায় বিশ কেজি। এই পরিসংখ্যান থেকে আমরা সহজেই প্লাস্টিক বর্জ্যরে পরিমাণ নিয়ে কিছুটা ধারণা পাই। প্লাস্টিক বর্জ্যরে মধ্যে রয়েছে বোতল, চালের বস্তা এবং প্লাস্টিক ব্যাগ। কিন্তু অন্য সব দেশের মতো বাংলাদেশের প্লাস্টিক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা গড়ে না উঠায় পরিবেশগত মারাত্মক প্রভাব নিয়ে তা মানব জীবন ও বিভিন্ন প্রাণীর জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত এই প্লাস্টিক বর্জ্য সৃষ্টির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা জনবহুল শহর হওয়ায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমস্যার মধ্যে রয়েছে। এক গবেষণায় জানা যায়, ঢাকা শহরে প্রতিদিন মাথাপিছু ৫৬০ গ্রাম বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে, এর মধ্যে প্লাস্টিক অন্যতম। তাছাড়া বিশ্বব্যাংকের হিসেব অনুযায়ী, ঢাকা শহরে দৈনিক ৭ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। সেই সাথে দেশের ৩২৪ টি পৌরসভা ও ১১ টি সিটি কর্পোরেশনেও বর্জ্য উৎপাদনের হার বেড়েই চলছে। দেশের শহর গুলোতে যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে এবং কত ধরণের বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে তার সঠিক ও বিস্তারিত গবেষণা তথ্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। সেই সাথে আর্থিক ও ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা ঘাটতি থাকায় শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে করা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করাও জটিল হয়ে উঠছে।

প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য পানির সঙ্গে মিশে এর গুনাগুন নষ্টের সাথে সাথে পানিতে থাকা জীববৈচিত্রের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। নদী ও সাগরে প্লাস্টিক ও পলিথিনের পরিমাণ বেড়েই চলেছে। বর্তমান সময়ে সমুদ্রের সম্পদ নিয়ে যে বিস্তর গবেষনা চলছে, প্লাস্টিক বর্জ্য এর জন্য মারাত্বক হুমকির কারণ হতে পারে। ২০১২ সালের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছিল যে, প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন টন বর্জ্য প্লাস্টিক সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় আছে, যা প্রায় ৭০০ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণীকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। সমুদ্রে যে হারে প্লাস্টিক বাড়ছে, এ অবস্থা চলতে থাকলে প্রবাল প্রাচীরের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। সমুদ্র বিজ্ঞানীদের মতে, সমুদ্রের পানির উষ্ণতা বৃদ্ধির পর দ্বিতীয় বড় হুমকিটি প্লাস্টিক বর্জ্য যা প্রবাল প্রাচীরের রোগাক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ২০ গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

উৎপাদিত বর্জ্যগুলো শেষ পর্যন্ত সংগ্রহ, পরিবহন ও অপসারণের পর জায়গা হয় ল্যান্ডফিল সাইটে। স্তূপাকারে জমা করা বর্জ্যরে জন্য যে জায়গা ব্যবহার করা হয় তার ধারণক্ষমতা দিন দিন শেষ হয়ে যাচ্ছে। ল্যান্ডফিল করার জন্য অবশ্যই কিছু নিয়ম মানা জরূরি। এনভায়রমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সি (ইপিএ) এ বিষয়ে বেশ কিছু নীতিমালা উল্লেখ করেছে। ১৯৯১ সালের এই নীতিমালা অনুযায়ী ল্যান্ডফিল সাইটের ৩০ মিটার এর মধ্যে কোন জলাশয় থাকবে না, ১৬০ মিটার দূরত্বের মধ্যে কোন খাবার পানির নলকূপ থাকতে পারবে না এবং ৬৫ মিটার দূরত্বের মধ্যে কোন ঘরবাড়ি, স্কুল বা পার্ক থাকতে পারবে না। তাই ল্যান্ডফিলিংটি অত্যন্ত অপব্যয়ী হিসাবে বিবেচিত হয়। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও উন্নয়নশীল কাঠামো গড়ে উঠায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ল্যান্ডফিল সাইটের জায়গা বৃদ্ধি করা সহজ নয়। যেসব স্থানে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ল্যান্ডফিল তৈরি করা হয়, পরবর্তীতে এর ফলে ভূমি জমিগুলি ভালোভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয় না এবং সেখানে প্লাস্টিকের বর্জ্যগুলি সহজেই জলপথে বয়ে যেতে পারে বা বন্যার পানিতে সমুদ্রে পতিত হতে পারে। প্লাস্টিক বর্জ্যের বেশির ভাগই যেহেতু মাটিতে থেকে যাচ্ছে, তাই এগুলো মাটি ও পানির গুণগত মান নষ্ট করছে। তাছাড়া, প্লাস্টিকগুলি ল্যান্ডফিলে ক্ষয় হয়ে গেলে তারা মাটি এবং আশেপাশের পরিবেশে দূষণকারী (ফ্যাথলেট এবং বিসফেনল) পদার্থ মুক্ত করতে পারে।

প্লাস্টিক সাধারণত পেট্রোলিয়াম বা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে উদ্ভূত হয়, এই প্লাস্টিক বর্জ্যে যে পরিমাণে সঞ্চিত শক্তি রয়েছে তা অন্য কোনও বর্জ্যরে তুলনায় বেশি পরিমাণে সঞ্চিত শক্তি দেয়। প্লাস্টিকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে কিছু শক্তি ফিরে আসে। প্রকৃতপক্ষে, প্লাস্টিক থেকে যে পরিমাণ শক্তি উৎপাদন করা যায় তা প্রায় কয়লা এবং জ্বালানি তেল থেকে উৎপাদিত শক্তির সমান। তাই প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে জ্বালানি তৈরী, উল্লেখযোগ্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি। কিন্তু, প্লাস্টিক জ্বালানি প্রক্রিয়াতে বায়ুমন্ডলে বিপজ্জনক পদার্থগুলি নির্গত হতে পারে, যার ফলে পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করবে। প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে জ্বালানি তৈরি করে যে তাপ উৎপন্ন হয় তা দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। যদি এই প্রকল্পটি সারাদেশের পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনগুলোতে করা হয় তাহলে বর্জ্য অনেকাংশে কমে যাবে। এতে দেশের জ্বালানি চাহিদা অনেকখানি মেটানো সম্ভব হবে। এছাড়াও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বর্জ্যের কিছু অংশ পুড়িয়ে ফেলা যেতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, বর্জ্য পুড়িয়ে প্রায় ৯০ শতাংশ বর্জ্য কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

অনেক প্লাস্টিক পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ করা যায় এবং উদ্ধার করা উপকরণগুলিকে দ্বিতীয় বারের মতো ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তবে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অসুবিধার কারণে এই পদ্ধতিটি পুরোপুরিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। বাংলাদেশ সরকার প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সেই সাথে বেসরকারি পর্যায়ে প্লাস্টিক পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ করায় অনেক বর্জ্য কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশে প্রতিবছর ৬৩৩,১২৯ টন প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপন্ন হয়, এর ৫১ শতাংশ পুনঃব্যবহার করা হচ্ছে যার পরিমাণ ৩২৩,০০০ টন। বাংলাদেশে প্রায় দুই হাজার শিল্পকারখানা রয়েছে, যার মধ্যে ৫০-৬০টি সরাসরি প্লাস্টিক টুকরা বিদেশে রপ্তানি করছে। তাছাড়াও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করে বিভিন্ন ধরনের খেলনা তৈরি করা হচ্ছে।

প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক অন্যতম ভূমিকা রাখতে পারে, এটি এমন প্লাস্টিক যা জীবের ক্রিয়া দ্বারা পঁচে যায়। বিশেষত যে সকল প্যাকেজিং জৈব বর্জ্য থেকে সহজে পৃথক করা যায় না, সেখনে বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক ব্যবহার করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সমস্যা সমাধানের সম্ভাবনা রয়েছে। বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিকগুলো জীব দ্বারা কার্বন ডাই অক্সাইড এবং জলের মধ্যে সম্পূর্ণ বিপাক হতে পারে, কিন্তু অক্সো-বায়োাডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক গুলি পরিবেশে ধাতু ছেড়ে দিতে পারে।

প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য যে বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, তার মধ্যে জৈব ও অজৈব বর্জ্য আলাদা করে সংরক্ষণ অন্যতম। প্রাথমিক স্তর থেকে বর্জ্য আলাদা করা নিয়ে একটি নীতিমালা করা হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে প্লাস্টিক বর্জ্য প্রতিরোধ করতে সরকারের সাথে প্রত্যেক স্তরের মানুষ এর অংশগ্রহণ জরুরি। সেই সাথে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে প্লাস্টিক বর্জ্য গুলো সম্পদে রূপান্তর করার প্রকল্প হাতে নিতে হবে।

পর্যটন নগরী কক্সবাজার শহরের ছোট-বড় ১০টি বাজার, কয়েক’শ রেস্টুরেন্ট, ভ্রমণে আসা বিপুল সংখ্যক পর্যটক এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজার শহরে ছয় শতাধিক বহুতল ভবনে বসবাসকারী প্রায় তিন লাখ মানুষের রান্নাসহ দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কিছু উচ্ছিষ্ট থেকে প্রতিদিন কক্সবাজার পৌর এলাকায় অন্তত ৮০ টন বর্জ্য জমা হয়। বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা না থাকায় শহরটি দিন দিন অপরিচ্ছন্ন হয়ে উঠছিলো। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পর্যটনে। এখন সেই বর্জ্য থেকেই প্রতি দু’মাসে উৎপাদন করা হবে ৩ টন জৈব সার। আর এ সার স্বল্পমূল্যে সরবরাহ করা হবে স্থানীয় কৃষকদের। শনিবার সকালে শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি এলাকায় বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন হয় ।কক্সবাজার পৌরসভার উদ্যোগে জলবায়ু তহবিলের ১কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তর।এ প্লান্ট থেকে প্রতি দুই মাসে উৎপাদন হবে ৩ টন জৈব সার। যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝে স্বল্প মূল্যে বিক্রি করা হবে।কিন্তু যে প্লান্টটি করা হয়েছে এটির ধারণ ক্ষমতা ১২ টন। তাই শহরের প্রতিদিন ১২টন বর্জ্য যাবে ওই প্লান্টে।আর এ বর্জ্য থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে সারে রূপান্তরিত হতে সময় লাগবে প্রায় ৬৫ দিন। কিন্বতু বাকী বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা না থাকায় শহরটিই দিন দিন অপরিচ্ছন্ন হয়ে উঠবে । এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসছে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য। এতে জড়িয়ে প্রাণ হারাচ্ছে প্রকৃতির অমূল্য সম্পদ সামুদ্রিক কচ্ছপগুলো। ইতোমধ্যেই অন্তত ২০টি মৃত কচ্ছপ খুঁজে পেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা, উদ্ধার করা হয়েছে আরও কয়েক ডজন আহত কচ্ছপ।

এসব দিক বিবেচনা করে ,কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশ বান্দর টেকসই নগর উন্নয়ন  পরিকল্পনা সহ 327RC-BD’s Resilient cities আওতায়  এবং আর্কিটেকচার রিসার্চ এন্ড ডেভোল্যাপম্যান্ট লিঃ (ARDL) এর এসো-আরডিএল”/ “ESHOARDL নামক একটি SDG2030 Mega প্রকল্প এর অন্তগর্ত “Clean City Green City”  প্রকল্পের মাধ্যমে কক্সবাজার পৌরসভা সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব ।

এছাড়া বাংলাদেশের পৌরসভা ও গ্রাম গুলিকে টেকসই কর্মময় এবং স্থানীয় ভাবে সক্ষম হিসেবে গড়ে তুলার জন্যে, এই দেশের বিপুল দক্ষ হিউম্যান রিসোর্সকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে সচ্ছল হবার লক্ষ্যে, বাংলাদেশ করোনা মহামারির প্রভাব কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে। এ সময়, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এবং এর সাথে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বাংলাদেশকে অন্যতম একটি জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীল গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড উন্নতদেশ সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলার জন্যে আর্কিটেকচার রিসার্চ এন্ড ডেভোল্যাপম্যান্ট লিঃ (ARDL) “এসো” বা   ESHOARDL নামক SDG2030 Mega Project  বা প্রকল্প ডিজাইন করেছে । যা বেসরকারী ভাবে সরকারের পাশাপাশি কাজ কারার একটি ইনোভেটিভ মডেল । যা পরবর্তীতে পৃথিবীর সল্প উন্নয়নশীলদেশের জন্যে মডেল হতে পারে ।

এ প্রকল্পের আওতায় শহরের প্রায় হোটেল ও বাজারে হলুদ এবং সবুজ রঙের দুটি ডাস্টবিন দেয়া হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় এখনো ডাস্টবিন দেওয়ার কাজ চলছে। হলুদ ডাস্টবিনে অপচনশীল আর সবুজ ডাস্টবিনে পচনশীল বর্জ্য ফেলা হবে। ডাস্টবিনের এসব বর্জ্য প্রতিদিন গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হবে ডাম্পিং স্টেশনে। তিনি বলেন, সবমিলিয়ে এই কক্সবাজার শহর থেকে প্রতিদিন ৮০ টন বর্জ্য জমা হয়। কিন্তু যে প্লান্টটি করা হয়েছে এটির ধারণ ক্ষমতা ১২ টন। তাই শহরের প্রতিদিন ১২টন বর্জ্য যাবে ওই প্লান্টে। এই বর্জ্যের মধ্যে পচনশীল বর্জ্যগুলো আলাদা করে কম্পোস্ট প্লান্টে ফেলা হবে। সেখান থেকে প্রতি দুইমাসে উৎপাদন হবে ৩টন জৈব সার। আর এ বর্জ্য থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে সারে রূপান্তরিত হতে সময় লাগবে প্রায় ৬৫ দিন তিনি বলেন, বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা না থাকায় শহরটিই দিন দিন অপরিচ্ছন্ন হয়ে উঠছিলো। এ প্রল্পটির কারণে কিছুটা হলেও এই নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্তি পাবে পর্যটন শহর। সবকিছু বিবেচনায় সরকার বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদনের প্রকল্পটি হাতে নেয়। উৎপাদিত জৈব সার সরাসরি কৃষকের কাছে বিক্রি করা হবে। একই সঙ্গে জৈব সারের প্রদর্শনী কেন্দ্র চালুর কথাও তিনি জানান। তবে বাকি ৬৮টন বর্জ্য পুরনো উপায়ে ব্যবস্থাপনা করা হবে বলে জানান তিনি। কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় পর্যটন এলাকা কক্সবাজার শহর ময়লা-আবর্জনাহীন পরিচ্ছন্ন নগরীতে পরিণত করা হবে। অন্যদিকে স্থানীয় কৃষকরা স্বল্পমূল্যে পাবেন উন্নত মানের জৈব সার।

আমাদের কোম্পানীর দ্বারা উদ্ভাবিত বিভিন্ন ইনোভেটিভ আইডিয়া ও টেকসই বন্দর নগর উন্নয়ন  পরিকল্পনার   মাধ্যমে ৩২৭টি মিউনিসিপালিটি শহরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যাবহার করে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শহরের পরিবেশ উন্নয়ন, শহরের বর্জ্য সংগ্রহের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ,বর্জ্য ব্যাবস্থাপনার ক্ষেত্রে  মানবসম্পদ উন্নয়ন, ডোর টু ডোর বর্জ্য সম্পদের পর্যাপ্ত পুনঃব্যাবহার, পুনঃ মূল্যায়ন,নতুন পণ্য যেমন প্লাস্টিকের বিভিন্ন পণ্য ,বর্জ্য থেকে টাইলস, সুতা, তুলা, বোতাম,ব্যাগ,গাছের টব ,বর্জ্য থেকে পরিবেশ বান্দব ইকো হোম, বর্জ্য থেকে দেয়াল  বর্জ্য থেকে ইট,  প্লাস্টিক বর্জ্য হতে পরিবেশবান্দব  রাস্তা তৈরি ,আন্ডারগ্রাউন্ড অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনাগার সহ উপরে  শিশুপার্ক তৈরী ইত্যাদি বিভিন্ন উপায়ে বর্জ্য ব্যাবস্থাপনার বৃহ্য উদ্যোগ নেয়া সম্ভব হবে ।এর সাথে  বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা বিষয়ে জনসাধারণের ধারণা উন্নয়ন হবে এবং শহরের পরিবেশে কার্বন নির্গমন কমানো সহ বর্জ্য ব্যাবস্থাপনার কাজ  এর মাধ্যমে  মিউনিসিপালিটি পরিস্কার ও সবুজ হবে  সম্ভব হবে ।এ  প্রকল্প এর মাধ্যমে মিউনিসিপালিটি শহর এর একটি নেটওয়ার্ক তৈরী হবে ও মিউনিসিপালিটি শহরে এর নিজস্ব আয় বৃদ্বি,স্মার্ট দক্ষ মানবসম্পদ তৈরী ও কর্মসংস্থান এর সুযোগ তৈরি হবে ।এক্ষেত্র দেশী-বিদেশী আর্থিকসংস্থা ও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকেও সাহায্য নেয়া সম্ভব ।

This image has an empty alt attribute; its file name is image-77.png
Enis Akiev makes marbled tiles from post-consumer plastic waste
This image has an empty alt attribute; its file name is image-10.png
This image has an empty alt attribute; its file name is image-11.png
This image has an empty alt attribute; its file name is image-13.png
This image has an empty alt attribute; its file name is image-14.png
This image has an empty alt attribute; its file name is image-15-651x1024.png
This image has an empty alt attribute; its file name is image-19-650x1024.png
This image has an empty alt attribute; its file name is image-20.png
This image has an empty alt attribute; its file name is image-24.png
This image has an empty alt attribute; its file name is image-25.png